Surah Al Baqarah Tafseer
Tafseer of Al-Baqarah : 209
Saheeh International
But if you deviate after clear proofs have come to you, then know that Allah is Exalted in Might and Wise.
Ibn Kathir Partial
Tafseer 'Ibn Kathir Partial' (BN)
পুরোপুরি ইসলামে আনুগত্য প্রকাশ করতে হবে
মহান আল্লাহ্ তাঁর ওপরে বিশ্বাস স্থাপনকারীগণকে ও তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সত্যতা স্বীকারকারীগণকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তারা যেন তাঁর সমস্ত নির্দেশ মেনে চলে এবং সমস্ত নিষিদ্ধ বিষয় হতে বিরত থাকে ও পূর্ণ শারী‘আতের ওপর ‘আমল করে। আল ‘আউফী (রহঃ) বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) , মুজাহিদ (রহঃ) , তাঊস (রহঃ) , যাহহাক (রহঃ) , ইকরামাহ (রহঃ) , কাতাদাহ (রহঃ) , সুদ্দী (রহঃ) এবং ইবনু যায়দ (রহঃ) বলেছেন যে, سِلْمٌ শব্দের অর্থ হচ্ছে ইসলাম। (তাফসীর তাবারী ৪/২৫২, তাফসীর ইবনু আবী হাতিম২/৫৮৪-৫৮৫) ভাবার্থ আনুগত্য ও সততাও হতে পারে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) মুজাহিদ (রহঃ) , আবুল ‘আলিয়া (রহঃ) , ইকরামাহ (রহঃ) , রাবী‘ ইবনু আনাস (রহঃ) , সুদ্দী (রহঃ) , মুকাতিল ইবনু হিব্বান (রহঃ) , কাতাদাহ (রহঃ) এবং যাহহাক (রহঃ) তাদের তাফসীরে বর্ণনা করেছেন যে, كافة শব্দের অর্থ হচ্ছে, ‘সবকিছু’ ও ‘পরিপূর্ণ’। (তাফসীর ইবনু আবী হাতিম ২/৫৮৬-৫৮৮) বিভিন্ন মহান ব্যক্তি যারা ইয়াহূদী হতে মুসলিম হয়েছিলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট তারা আবেদন জানিয়েছিলেন যে, তাদেরকে যেন শনিবার উৎসবের দিন হিসেবে পালন করার ও রাতে তাওরাতের ওপর ‘আমল করার অনুমতি দেয়া হয়। সেই সময় এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। তাদেরকে বলা হয়, ইসলামের নির্দেশাবলীর ওপরেই ‘আমল করতে হবে। কিন্তু এখানে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) নাম ঠিক বলে মনে হয় না। কেননা, তিনি উচ্চ স্তরের পণ্ডিত ছিলেন এবং পূর্ণ মুসলমান ছিলেন। তিনি পূর্ণরূপে অবগত ছিলেন যে, শনিবারের মর্যাদা রহিত হয়ে গেছে। এর পরিবর্তে শুক্রবার ইসলামের উৎসবের দিন হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। সুতরাং এটা অসম্ভব কথা যে, এরূপ অভিলাসের ওপর তিনি অন্যদের সাথে হাত মিলাবেন।
কোন কোন তাফসীরকারক كافة শব্দটিকে حال বলেছেন। অর্থাৎ তোমরা সবাই ইসলামের মধ্যে প্রবেশ করো। কিন্তু প্রথম উক্তিটি অধিকতর সঠিক। অর্থাৎ তোমরা সাধ্যানুসারে ইসলামের প্রত্যেক নির্দেশ মেনে চলো। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, আহলে কিতাব ইসলাম গ্রহণের পরেও তাওরাতের কতোগুলো নির্দেশ মেনে চলতো। তাদেরকেই বলা হচ্ছে ‘দ্বীনে মুহাম্মাদী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর’ মধ্যে পুরোপুরি এসে যাও। এর কোন ‘আমলই পরিত্যাগ করো না। তাওরাতের ওপর শুধু ঈমান রাখাই যথেষ্ট।
অতঃপর বলা হচ্ছেঃ ﴿وَّ لَا تَتَّبِعُوْا خُطُوٰتِ الشَّیْطٰنِ١ؕ اِنَّهٗ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِیْنٌ﴾
‘আর শায়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলো না, নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।’ মহান
আল্লাহ্ অন্যত্র বলেনঃ
﴿اِنَّمَا یَاْمُرُكُمْ بِالسُّوْٓءِ وَ الْفَحْشَآءِ وَ اَنْ تَقُوْلُوْا عَلَى اللّٰهِ مَا لَا تَعْلَمُوْنَ﴾
‘সে তো শুধুমাত্র তোমাদেরকে আদেশ করে শায়তানী ও অশ্লীল কাজ করতে এবং মহান আল্লাহ্ সম্বন্ধে তোমরা যা জানো না তা বলতে।’ (২নং সূরাহ্ বাকারাহ, আয়াতা নং ১৬৯) এবং
﴿اِنَّمَا یَدْعُوْا حِزْبَهٗ لِیَكُوْنُوْا مِنْ اَصْحٰبِ السَّعِیْرِ﴾
‘সে তো তার দলবলকে আহ্বান করে শুধু এ জন্য যে, তারা যেন উত্তপ্ত জাহান্নামের সাথী হয়।’ (৩৫নং সূরাহ্ ফাতির, আয়াত নং ৬) আর এ জন্যই বলা হয়েছে যে, اِنَّهلَكُمْعَدُوٌّمُّبِیْنٌ ‘সে তো তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।’ এরপরে বলা হচ্ছেঃ
﴿فَاِنْ زَلَلْتُمْ مِّنْۢ بَعْدِ مَاجَآءَتْكُمُ الْبَیِّنٰتُ فَاعْلَمُوْۤا اَنَّ اللّٰهَ عَزِیْزٌ حَكِیْمٌ﴾
‘প্রমাণ জেনে নেয়ার পরেও যদি তোমরা সত্য হতে সরে পড়ো তাহলে জেনে রেখো যে, মহান আল্লাহ্ প্রতিদান দেয়ার ব্যাপারে প্রবল পরাক্রান্ত।’ না তাঁর থেকে কেউ পলায়ন করতে পারবে, আর না তাঁর ওপর কেউ প্রভাব বিস্তার করতে পারবে। তিনি তাঁর নির্দেশাবলী চালু করার ব্যাপারে মহা বিজ্ঞানময়। পাকড়াও করার কাজে তিনি মহান পরাক্রশালী এবং নির্দেশ জারী করার কাজে তিনি মহা বিজ্ঞানময়। তিনি কাফিরদের ওপর প্রভুত্ব বিস্তারকারী এবং তাদের ওযর ও প্রমাণ কর্তন করার ব্যাপারে তিনি নৈপুণ্যের অধিকারী।
Social Share
Share With Social Media
Or Copy Link
Be our beacon of hope! Your regular support fuels our mission to share Quranic wisdom. Donate monthly; be the change we need!
Be our beacon of hope! Your regular support fuels our mission to share Quranic wisdom. Donate monthly; be the change we need!
Are You Sure you want to Delete Pin
“” ?
Add to Collection
Bookmark
Pins
Social Share
Share With Social Media
Or Copy Link
Audio Settings