Surah At Tawbah Tafseer
Tafseer of At-Tawbah : 38
Saheeh International
O you who have believed, what is [the matter] with you that, when you are told to go forth in the cause of Allah, you adhere heavily to the earth? Are you satisfied with the life of this world rather than the Hereafter? But what is the enjoyment of worldly life compared to the Hereafter except a [very] little.
Tafsir Fathul Mazid
Tafseer 'Tafsir Fathul Mazid' (BN)
৩৮-৪০ নং আয়াতের তাফসীর:
আল্লাহ তা‘আলার পথে জিহাদ বর্জন করে দুনিয়া ও তার সাচ্ছন্দ্য এবং আরাম-আয়েশে মগ্ন থাকাকে আল্লাহ তা‘আলা নিন্দা করে মু’মিনদেরকে বলছেন যে, তোমরা আখিরাতের চেয়ে পার্থিব সুখ সাচ্ছন্দকে প্রাধান্য দিচ্ছ? জেনে রেখ! পাথির্ব সুখ সাচ্ছন্দ অতি সামান্য। যদি জিহাদে বের না হও তাহলে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দেব এবং এমন এক জাতিকে তোমাদের পরিবর্তে নিয়ে আসব যাদের তোমরা কোন ক্ষতিসাধন করতে সক্ষম হবে না, তাদের দ্বারা আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের শাস্তি দেবেন, যতক্ষণ তোমরা জিহাদ না করবে ততক্ষণ এ জাতি দ্বারা লাঞ্ছিত হবে।
(ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ)
‘দু’জনের একজন, যখন তারা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিল’ এখানে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ও আবূ বকর (রাঃ) এর মক্কা থেকে মদীনার উদ্দেশ্যে হিজরতকালীন ‘গারে সূর’ পর্বতে অবস্থান ও তখনকার পরিস্থিতির কথা তুলে ধরা হচ্ছে। শত্রুরা খুঁজতে খুঁজতে যে গর্তে নাবী (সাঃ) ও আবূ বাকর (রাঃ) লুকিয়ে ছিলেন সেখানে চলে এসেছে, এমন কঠিন মুহূর্তেও আল্লাহ তা‘আলা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে সাহায্য করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-কে বললেন: তুমি চিন্তা করো না, আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সাথে আছেন। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাথে গারে সূর থেকে মুশরিকদের (পায়ের) চিহ্ন দেখাচ্ছিলাম। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! যদি তাদের কেউ পা তুলে তাহলেই আমাদেরকে দেখতে পাবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: যাদের তিনজনের একজন আল্লাহ তা‘আলা তাদের দুজন সম্পর্কে তোমার ধারণা কী? (সহীহ বুখারী হা: ৪৬৬৩)
এ ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে অনেকে বলে থাকে: গুহার মুখে কবুতর এসে ডিম পেড়ে দিয়েছিল ইত্যাদি এসব মিথ্যা বানোয়াট কথা।
(كَلِمَةَ الَّذِيْنَ كَفَرُوا السُّفْلٰي)
‘এবং তিনি কাফিরদের কথা হেয় করলেন’ কাফিরদের বাক্য বলতে শির্ক আর আল্লাহ তা‘আলার বাণী বলতে তাওহীদ।
যেমন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল: একজন বীরত্ব প্রকাশ করার জন্য যুদ্ধ করে, একজন স্বগোত্রের অন্ধ পক্ষপাতিত্ব করার জন্য যুদ্ধ করে আর অন্যজন লোক দেখানোর জন্য যুদ্ধ করে- এদের মধ্যে আল্লাহ তা‘আলার রাস্তায় যুদ্ধ কার হয়? তিনি বললেন: যে আল্লাহ তা‘আলার কালিমাকে সুউচ্চ করার জন্য যুদ্ধ করে তার যুদ্ধ আল্লাহ তা‘আলার রাস্তায় হয়। (সহীহ বুখারী হা: ১২৩)
সুতরাং মুসলিম নেতা যদি সাধারণভাবে জিহাদের জন্য আহ্বান করে তাহলে সব কিছু বর্জন করে জিহাদে বের হওয়া আবশ্যক। কেউ জিহাদ না করলে আল্লাহ তা‘আলার কোন ক্ষতি হবে না বরং নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনবে ।
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. ইমাম যখন যুদ্ধ করার জন্য আহ্বান জানাবে তখন যুদ্ধ করা আবশ্যক।
২. পার্থিব জীবনকে প্রাধান্য দিয়ে জিহাদ ত্যাগ করলে আল্লাহ তা‘আলা কঠিন শাস্তি দেবেন।
৩. দীনের জন্য রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে সাহায্য করা ওয়াজিব।
৪. আবূ বকর (রাঃ)-এর মর্যাদা জানতে পারলাম।
৫. ইসলাম সর্বদা বিজয়ী থাকে তার ওপর কোন কিছু বিজয় লাভ করতে পারে না।
Social Share
Share With Social Media
Or Copy Link
Be our beacon of hope! Your regular support fuels our mission to share Quranic wisdom. Donate monthly; be the change we need!
Be our beacon of hope! Your regular support fuels our mission to share Quranic wisdom. Donate monthly; be the change we need!
Are You Sure you want to Delete Pin
“” ?
Add to Collection
Bookmark
Pins
Social Share
Share With Social Media
Or Copy Link
Audio Settings