Surah Luqman Tafseer
Tafseer of Luqman : 29
Saheeh International
Do you not see that Allah causes the night to enter the day and causes the day to enter the night and has subjected the sun and the moon, each running [its course] for a specified term, and that Allah, with whatever you do, is Acquainted?
Tafsir Fathul Mazid
Tafseer 'Tafsir Fathul Mazid' (BN)
২৯-৩০ নং আয়াতের তাফসীর:
আল্লাহ তা‘আলা বর্ণনা করেছেন যে, রাতকে দিনের মধ্যে এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দেয়া আমারই কাজ। শীতের দিনে রাত বড় ও দিন ছোট এবং গ্রীষ্মকালে দিন বড় ও রাত ছোট হওয়া আমারই শক্তির প্রমাণ।
চাঁদ-সূর্যের চক্র ও আবর্তন আমারই আদেশক্রমে হয়ে থাকে। এগুলো নির্ধারিত সময় পর্যন্ত চলতে থাকে।
(اِلٰٓی اَجَلٍ مُّسَمًّی)
‘নির্ধারিত সময় পর্যন্ত’ এর দুটি অর্থ হতে পারেন
(এক) সূর্যের জন্য যতটুকু সময় বেধে দেয়া হয়েছে সে ততটুকু সময় আলো দিয়ে থাকে। আর চাঁদের জন্য যতটুকু সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে সে ততটুকু সময় আলো দিয়ে থাকে।
(দুই) চন্দ্র ও সূর্যের প্রত্যেককে সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে, যখন সময় শেষ হয়ে যাবে তখন তারা উদয় হবে না, তখনই কিয়ামত সংঘটিত হবে। হাদীসে এসেছে:
আবূ যার (رضي الله عنه) হতে বর্ণিত: রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন: হে আবূ যার! ঐ সূর্য কোথায় যায় তা তুমি জান কি? উত্তরে তিনি বললেন, আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: এটা গিয়ে আল্লাহ তা‘আলার আরশের নীচে সিজদায় পড়ে যায় এবং স্বীয় প্রতিপালকের কাছে অনুমতি প্রার্থনা করতে থাকে। এটা খুব নিকটবর্তী যে, একদিন তাকে বলা হবে ‘যেখান হতে এসেছো সেখানে ফিরে যাও।’ (সহীহ বুখারী হা: ৪৮০২, সহীহ মুসলিম হা: ১৫৯)
এরপর আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমরা যা কর আল্লাহ তা‘আলা সে সম্পর্কে অবহিত। আল্লাহ তা‘আলার বাণী:
(أَلَمْ تَعْلَمْ أَنَّ اللّٰهَ يَعْلَمُ مَا فِي السَّمَا۬ءِ وَالْأَرْضِ ط إِنَّ ذٰلِكَ فِيْ كِتٰبٍ ط إِنَّ ذٰلِكَ عَلَي اللّٰهِ يَسِيْرٌ)
“তুমি কি জান না যে, আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু রয়েছে নিশ্চয়ই আল্লাহ তা জানেন। এ সকলই আছে এক কিতাবে; নিশ্চয়ই এটা আল্লাহর নিকট সহজ।” (সূরা হাজ্জ ২২:৭০)
এগুলো এরই প্রমাণ যে, আল্লাহ তা‘আলাই সত্য মা‘বূদ এবং তারা তাঁর পরিবর্তে যাকে ডাকে তারা মিথ্যা। আল্লাহ তা‘আলা সুউচ্চ ও মহান। তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন বরং সবাই তাঁরই মুখাপেক্ষী, সবাই তাঁর সৃষ্টি এবং তাঁর দাস। সুতরাং যে আল্লাহ তা‘আলা সকল সৃষ্টিকে যথাযথভাবে পরিচালনা করছেন আমরা একমাত্র সেই আল্লাহ তা‘আলারই ইবাদত করব।
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. আল্লাহ তা‘আলাই একমাত্র মা‘বূদ, তিনি ব্যতীত অন্য কোন সঠিক মা‘বূদ নেই।
২. দিবা-রাত্রির ছোট বড় হওয়া, চন্দ্র-সূর্য নিয়ন্ত্রণা করা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলারই কাজ।
৩. আল্লাহ তা‘আলা সুউচ্চ ও সবচেয়ে বড়।
Social Share
Share With Social Media
Or Copy Link
Be our beacon of hope! Your regular support fuels our mission to share Quranic wisdom. Donate monthly; be the change we need!
Be our beacon of hope! Your regular support fuels our mission to share Quranic wisdom. Donate monthly; be the change we need!
Are You Sure you want to Delete Pin
“” ?
Add to Collection
Bookmark
Pins
Social Share
Share With Social Media
Or Copy Link
Audio Settings