Surah Al Baqarah Tafseer
Tafseer of Al-Baqarah : 59
Saheeh International
But those who wronged changed [those words] to a statement other than that which had been said to them, so We sent down upon those who wronged a punishment from the sky because they were defiantly disobeying.
Tafsir Fathul Mazid
Tafseer 'Tafsir Fathul Mazid' (BN)
৫৮ ও ৫৯ নং আয়াতের তাফসীর:
(هٰذِهِ الْقَرْيَة)
‘এ নগর’ দ্বারা উদ্দেশ্য হল “বায়তুল মুকাদ্দাস”, এ বিষয়ে যদিও অনেক মতানৈক্য পাওয়া যায় তবে এটাই সর্বাধিক বিশুদ্ধ মত। (তাফসীর ইবনে কাসীর ১:২২৯)
(وَّادْخُلُوا الْبَابَ)
“দরজা দিয়ে প্রবেশ কর” এখানে দরজা দ্বারা উদ্দেশ্য বাইতুল মুকাদ্দাসের দরজা, যা বর্তমানে হিত্তার দরজা বলে পরিচিত। বানী ইসরাঈলের ইয়াহূদিদেরকে আল্লাহ তা‘আলা “আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দিন” একথা বলে বায়তুল মুকাদ্দাসের দরজা দিয়ে সিজদাবনত অবস্থায় প্রবেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তারা অবাধ্যতার বশীভূত হয়ে আল্লাহ তা‘আলার আদেশ অমান্য করে। ফলে আল্লাহ তা‘আলা তাদের ওপর শাস্তি অবতীর্ণ করেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: যখন বানী ইসরাঈলকে বলা হল
(وَّادْخُلُوا الْبَابَ سُجَّدًا وَّقُوْلُوْا حِطَّةٌ)
তোমরা সিজদাবনত ও ক্ষমা প্রার্থনা করা অবস্থায় দরজা দিয়ে প্রবেশ কর। তখন তারা তা পরিবর্তন করে জানুর ভরে অর্থাৎ দাম্ভিকভাবে এবং حِطَّةٌ (ক্ষমা প্রার্থনা) এর পরিবর্তে حبة في شعرة (যবের দানা) বলতে বলতে প্রবেশ করে। (সহীহ বুখারী হা: ৪৪৭৯, সহীহ মুসলিম হা: ৩০১৫)
رجز অর্থ শাস্তি, এ শাস্তি কী ছিল সে ব্যাপারে কয়েকটি উক্তি পাওয়া যায়: যেমন আল্লাহ তা‘আলার গযব কঠিন ঠাণ্ডাজনিত কুয়াশা অথবা প্লেগ রোগ। প্লেগ রোগের সমর্থন হাদীসে পাওয়া যায়।
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: এ প্লেগ সে আযাব ও শাস্তির অংশ যা তোমাদের পূর্বে কোন জাতির ওপর নাযিল করা হয়েছিল। তোমাদের উপস্থিতিতে কোন স্থানে যদি এ প্লেগ মহামারী দেখা দেয়, তাহলে সেখান থেকে বের হবে না এবং কোন স্থানে যদি এ মহামারী হয়েছে বলে শোন তাহলে সেখানে প্রবেশও করবে না। (সহীহ মুসলিম হা: ২২১৮)
আল্লাহ তা‘আলার কালাম পরিবর্তন করা ইয়াহূদিদের স্বভাব। যখন আল্লাহ তা‘আলা এক কথা বলতে বললেন তখন তারা সে কথা পরিবর্তন করে অন্য কথা বলল। আমরাও যেন আমাদের ঘৃণ্য স্বার্থ হাসিল করার জন্য অথবা নিজেদের দল ও মত প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহর কালাম ও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীস পরিবর্তন না করি। কুরআনে তো কোন পরিবর্তন করা যাবেই না, যথাসম্ভব রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীস ও তাঁর মুখনিঃসৃত শব্দে বর্ণনা করা উচিত। কারণ জনৈক সাহাবী নাবী শব্দের স্থানে রাসূল বলেছেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে নাবী বলার নির্দেশ দিলেন। (সহীহুল বুখারী হা: ২৪৭, সহীহ মুসলিম হা: ২৭১০)
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. শিক্ষা ও নসিহত প্রদানের লক্ষ্যে পূর্ববর্তীদের কাহিনী বর্ণনা করা বৈধ।
২. জুলুম, পাপাচার ও শরীয়তের নির্দেশাবলী নিয়ে টালবাহানা করার ভয়াবহ পরিণতি থেকে সতর্ক হওয়া উচিত।
৩. নিজের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে শরীয়তের বিধান পরিবর্তন করা হারাম।
Social Share
Share With Social Media
Or Copy Link
Be our beacon of hope! Your regular support fuels our mission to share Quranic wisdom. Donate monthly; be the change we need!
Be our beacon of hope! Your regular support fuels our mission to share Quranic wisdom. Donate monthly; be the change we need!
Are You Sure you want to Delete Pin
“” ?
Add to Collection
Bookmark
Pins
Social Share
Share With Social Media
Or Copy Link
Audio Settings