Surah Al Isra Tafseer
Tafseer of Al-Isra : 10
Saheeh International
And that those who do not believe in the Hereafter - We have prepared for them a painful punishment.
Tafsir Fathul Mazid
Tafseer 'Tafsir Fathul Mazid' (BN)
৯-১১ নং আয়াতের তাফসীর:
(اِنَّ ھٰذَا الْقُرْاٰنَ یَھْدِیْ لِلَّتِیْ ھِیَ اَقْوَمُ.... اَعْتَدْنَا لَھُمْ عَذَابًا اَلِیْمًا)
উক্ত আয়াতে কুরআনের মর্যাদা বর্ণনা করা হচ্ছে যে, এই কুরআন উত্তম পথের নির্দেশ প্রদান করে। অর্থাৎ আকীদাহ, আমল ও আখলাকের এমন পথ যা দৃঢ় ও মজবুত এবং উৎকৃষ্ট। সুতরাং যারা কুরআনের অনুসরণ করবে তারা পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে হিদায়াতের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং কুরআন সুসংবাদ প্রদান করে যে, তাদের জন্য রয়েছে বড় প্রতিদান জান্নাত। আর যারা ঈমান আনে না ও সৎ কর্ম করে না তারা হবে আখিরাতে জাহান্নামী। মূলত এ কুরআন একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা র ইবাদত করার দিকেই আহ্বান করে। কুরআন যে সঠিক ও সুদৃঢ় পথের দিশা দেয় এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ইমাম শানকিত্বী (عليه السلام) তার তাফসীর আযওয়াউল বায়ানে।
(وَیَدْعُ الْاِنْسَانُ بِالشَّرِّ دُعَا۬ءَھ۫ بِالْخَیْرِ....)
বিদ্বানগণ উক্ত আয়াতের দুটি তাফসীর বর্ণনা করেছেন যা ইমাম শানকিত্বী তার তাফসীরে নিয়ে এসেছেন: (১) মানুষ যেহেতু দ্রুততাপ্রিয় এবং দুর্বল মনের তাই যখন কোন কষ্ট বা বিপদে পড়ে তখন নিজের ধ্বংসের জন্য বদ্দুআ করে বলে: হে আল্লাহ তা‘আলা আমাকে এ বিপদে ফেলার আগে কেন মৃত্যু দিলে না। ঠিক যেভাবে স্বচ্ছলতা বা সুখের সময় কল্যাণের জন্য দু‘আ করে। কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা মেহেরবান যে মানুষের এ সকল বদ্দু‘আ কবুল করেন না।
অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
(وَلَوْ يُعَجِّلُ اللّٰهُ لِلنَّاسِ الشَّرَّ اسْتِعْجَالَهُمْ بِالْخَيْرِ لَقُضِيَ إِلَيْهِمْ أَجَلُهُمْ)
“আল্লাহ যদি মানুষের অকল্যাণ ত্বরান্বিত করতেন, যেভাবে তারা তাদের কল্যাণ ত্বরান্বিত করতে চায়, তবে অবশ্যই তাদের মৃত্যু ঘটত।” (সূরা ইউনুস ১০:১১)
অধিকাংশ মুফাসসিরগণ যেমন ইবনু আব্বাস, মুজাহিদ, কাতাদাহ এ তাফসীর করেছেন।
(২) মানুষ যেমন কল্যাণের দু‘আ করে আল্লাহ তা‘আলার কাছে জান্নাত চায় ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি চায় তেমনি খারাপ কাজ করার কামনা করে আল্লাহ তা‘আলার কাছে দু‘আ করে বলে: হে আল্লাহ তা‘আলা অমুক কাজটা আমার জন্য সহজ করে দাও, অমুককে হত্যা করা সহজ করে দাও ইত্যাদি। এ সম্পর্কে সূরা ইউনুসের ১১ নং আয়াতে আলোচনা করা হয়েছে।
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. কুরআন ঈমানদারদের সুসংবাদ দেয় আর কাফিরদের জাহান্নামের ভীতি প্রদর্শন করে।
২. কুরআন সৎ ও দৃঢ় পথের দিক নির্দেশনা দেয়।
৩. যারা কুরআনের দিক নির্দেশনা অনুসরণ করবে তারা সফলকাম হবে।
৪. কোন কিছুর ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করা যাবে না।
৫. কোন জিনেসের ব্যাপারে বদ দু‘আ করা যাবে না।
Social Share
Share With Social Media
Or Copy Link
Be our beacon of hope! Your regular support fuels our mission to share Quranic wisdom. Donate monthly; be the change we need!
Be our beacon of hope! Your regular support fuels our mission to share Quranic wisdom. Donate monthly; be the change we need!
Are You Sure you want to Delete Pin
“” ?
Add to Collection
Bookmark
Pins
Social Share
Share With Social Media
Or Copy Link
Audio Settings